প্যানেল
সংবিধান ও গঠনতন্ত্র

ক্রিয়েটিভ এক্সপ্লোরার ফোরাম

(Creative Explorer Forum)

স্লোগান: "নতুনত্বের সন্ধানে......."
প্রতিষ্ঠাকাল: ১ জুলাই ২০২৬
প্রধান কার্যালয়: পশ্চিম জোয়ারিয়ানালা, রামু, কক্সবাজার, বাংলাদেশ

প্রস্তাবনা

আমরা, ক্রিয়েটিভ এক্সপ্লোরার ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা, সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ও শুভানুধ্যায়ীবৃন্দ, একটি দক্ষ, সৃজনশীল, নৈতিক, মানবিক ও নেতৃত্বসম্পন্ন যুবসমাজ গঠনের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সংবিধান প্রণয়ন, গ্রহণ ও অনুমোদন করলাম।

এই সংবিধানের মাধ্যমে সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কাঠামো, পরিচালন ব্যবস্থা, সদস্যপদ, আর্থিক নীতি, জবাবদিহিতা, শৃঙ্খলা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় বিধানসমূহ নির্ধারণ করা হলো। সংগঠনের সকল সদস্য, কর্মকর্তা ও শাখা কমিটি এই সংবিধান অনুসরণ করতে বাধ্য থাকবেন।

অধ্যায়-১: পরিচিতি ও প্রাথমিক বিষয়াবলি

ধারা ১ : নাম

১.১ এই সংগঠনের নাম "ক্রিয়েটিভ এক্সপ্লোরার ফোরাম (Creative Explorer Forum)"।

১.২ বাংলা ও ইংরেজি উভয় নামই সমানভাবে বৈধ বলে গণ্য হবে।

১.৩ সংক্ষেপে “CEF” নামে পরিচিত হতে পারবে।

ধারা ২ : সংগঠনের প্রকৃতি

২.১ এটি একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক, স্বেচ্ছাসেবী ও সমাজকল্যাণমূলক যুব সংগঠন।

২.২ সংগঠন কোনো রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় গোষ্ঠী বা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অঙ্গসংগঠন হিসেবে পরিচালিত হবে না।

২.৩ সংগঠন সকল ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ ও মতাদর্শের মানুষের প্রতি সমান সম্মান প্রদর্শন করবে।

ধারা ৩ : প্রতিষ্ঠা

৩.১ সংগঠনটি ১ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়।

৩.২ প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংগঠনের কার্যক্রম শুরু হবে।

ধারা ৪ : প্রধান কার্যালয়

৪.১ প্রধান কার্যালয় পশ্চিম জোয়ারিয়ানালা, রামু, কক্সবাজার, বাংলাদেশে অবস্থিত থাকবে।

৪.২ নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্যালয় স্থানান্তর করা যেতে পারে।

ধারা ৫ : কার্যপরিধি

৫.১ সংগঠনের কার্যক্রম সমগ্র বাংলাদেশে পরিচালিত হবে।

৫.২ প্রবাসী সদস্যদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও কার্যক্রম পরিচালিত হতে পারবে।

৫.৩ অনলাইন কার্যক্রম সংগঠনের বৈধ কার্যক্রম হিসেবে গণ্য হবে।

ধারা ৬ : আইনগত অবস্থান

৬.১ সংগঠন বাংলাদেশের প্রচলিত আইন মেনে পরিচালিত হবে।

৬.২ প্রয়োজনে সরকারি নিবন্ধন গ্রহণ করা হবে।

৬.৩ সংগঠন কোনো বেআইনি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে না।

ধারা ৭ : ভাষা

৭.১ সংগঠনের সরকারি ভাষা বাংলা।

৭.২ প্রয়োজনে ইংরেজি ব্যবহার করা যাবে।

ধারা ৮ : মেয়াদ

৮.১ সংগঠন অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

৮.২ বিলুপ্তি শুধুমাত্র এই সংবিধানের নির্ধারিত বিধান অনুসারে সম্ভব হবে।

অধ্যায়-২: লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও মূলনীতি

ধারা ৯ : মূল লক্ষ্য

৯.১ দক্ষ, মানবিক, নেতৃত্বসম্পন্ন ও দায়িত্বশীল যুবসমাজ গড়ে তোলা।

৯.২ সামাজিক উন্নয়নে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করা।

৯.৩ সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটানো।

ধারা ১০ : সাধারণ উদ্দেশ্য

সংগঠনের উদ্দেশ্য হবে—

  • ক) শিক্ষা উন্নয়ন
  • খ) দক্ষতা উন্নয়ন
  • গ) নেতৃত্ব বিকাশ
  • ঘ) মানবিক সহায়তা
  • ঙ) সামাজিক সচেতনতা
  • চ) পরিবেশ সংরক্ষণ
  • ছ) গবেষণা ও উদ্ভাবন
  • জ) স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম

ধারা ১১ : বিশেষ উদ্দেশ্য

১১.১ পাঠাগার প্রতিষ্ঠা।

১১.২ বৃত্তি প্রদান।

১১.৩ রক্তদাতা নেটওয়ার্ক গঠন।

১১.৪ স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা।

১১.৫ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম।

১১.৬ পরিবেশ রক্ষা কার্যক্রম।

১১.৭ যুব উদ্যোক্তা উন্নয়ন।

ধারা ১২ : মূলনীতি

সংগঠন নিম্নোক্ত মূলনীতিতে পরিচালিত হবে—

  • সততা
  • স্বচ্ছতা
  • জবাবদিহিতা
  • মানবিকতা
  • শৃঙ্খলা
  • সমতা
  • অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ
  • সৃজনশীলতা
  • সামাজিক দায়বদ্ধতা

ধারা ১৩ : বৈষম্যবিরোধী নীতি

১৩.১ ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, জাতীয়তা বা সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে বৈষম্য করা যাবে না।

১৩.২ সকল সদস্য সমান সুযোগ পাবেন।

অধ্যায়-৩: সাংগঠনিক পরিচয় ও প্রতীক

ধারা ১৪ : লোগো

১৪.১ সংগঠনের একটি অনুমোদিত লোগো থাকবে।

১৪.২ লোগোর মালিকানা সংগঠনের।

১৪.৩ অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

ধারা ১৫ : পতাকা

১৫.১ সংগঠনের একটি পতাকা থাকতে পারে।

১৫.২ পতাকার নকশা নির্বাহী পরিষদ অনুমোদন করবে।

ধারা ১৬ : সিলমোহর

১৬.১ সংগঠনের অফিসিয়াল সিল থাকবে।

১৬.২ গুরুত্বপূর্ণ নথিতে সিল ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

ধারা ১৭ : অফিসিয়াল ড্রেস কোড

১৭.১ সংগঠনের টি-শার্ট, ক্যাপ বা জ্যাকেট থাকতে পারে।

১৭.২ অফিসিয়াল কার্যক্রমে অনুমোদিত ড্রেস ব্যবহার করা যাবে।

ধারা ১৮ : পরিচয়পত্র

১৮.১ প্রত্যেক সদস্যকে পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।

১৮.২ পরিচয়পত্র সংগঠনের সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।

অধ্যায়-৪: সদস্যপদ

ধারা ১৯ : সদস্য শ্রেণি

  • ক) সাধারণ সদস্য
  • খ) স্বেচ্ছাসেবক সদস্য
  • গ) আজীবন সদস্য
  • ঘ) সম্মানিত সদস্য
  • ঙ) পৃষ্ঠপোষক সদস্য

ধারা ২০ : সদস্য হওয়ার যোগ্যতা

২০.১ ন্যূনতম বয়স ১৩ বছর।

২০.২ সুনামের অধিকারী হতে হবে।

২০.৩ গঠনতন্ত্র মেনে চলতে সম্মত হতে হবে।

২০.৪ আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।

ধারা ২১ : সদস্য ভর্তি

২১.১ লিখিত বা অনলাইন আবেদন করতে হবে।

২১.২ সদস্য যাচাই করা হবে।

২১.৩ নির্বাহী পরিষদের অনুমোদনের পর সদস্যপদ কার্যকর হবে।

ধারা ২২ : ভর্তি ফি

২২.১ সাধারণ সদস্য – ১০০ টাকা।

২২.২ ভবিষ্যতে নির্বাহী পরিষদ সংশোধন করতে পারবে।

ধারা ২৩ : সদস্যপদ নবায়ন

২৩.১ বার্ষিক সদস্যপদ নবায়ন করা যেতে পারে।

২৩.২ নবায়ন ফি নির্বাহী পরিষদ নির্ধারণ করবে।

ধারা ২৪ : সদস্যপদ স্থগিত

২৪.১ গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করলে।

২৪.২ ছয় মাস বকেয়া থাকলে।

২৪.৩ শৃঙ্খলাভঙ্গ করলে।

ধারা ২৫ : সদস্যপদ বাতিল

২৫.১ দুর্নীতি।

২৫.২ আর্থিক অনিয়ম।

২৫.৩ সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ণ করা।

২৫.৪ মাদক বা অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িত থাকা।

অধ্যায়-৫: সদস্যদের অধিকার ও দায়িত্ব

ধারা ২৬ : সদস্যদের অধিকার

২৬.১ ভোটাধিকার।

২৬.২ নির্বাচনে অংশগ্রহণ।

২৬.৩ মতামত প্রদানের অধিকার।

২৬.৪ আর্থিক তথ্য জানার অধিকার।

২৬.৫ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের অধিকার।

ধারা ২৭ : সদস্যদের দায়িত্ব

২৭.১ সংবিধান মেনে চলা।

২৭.২ সংগঠনের সুনাম রক্ষা।

২৭.৩ সভায় অংশগ্রহণ।

২৭.৪ সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ।

২৭.৫ নির্ধারিত চাঁদা প্রদান।

ধারা ২৮ : আচরণবিধি

২৮.১ সকল সদস্য ভদ্র ও শালীন আচরণ করবেন।

২৮.২ ব্যক্তিগত আক্রমণ করা যাবে না।

২৮.৩ হয়রানি নিষিদ্ধ।

অধ্যায়-৬: উপদেষ্টা পরিষদ

ধারা ২৯ : গঠন

২৯.১ ৩–৭ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ থাকবে।

২৯.২ সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষাবিদ বা অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নির্বাচন করা হবে।

ধারা ৩০ : মেয়াদ

৩০.১ উপদেষ্টার মেয়াদ ৩ বছর।

৩০.২ পুনর্নিয়োগযোগ্য।

ধারা ৩১ : ক্ষমতা

৩১.১ নীতিগত পরামর্শ প্রদান।

৩১.২ কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান।

৩১.৩ সংগঠনের উন্নয়ন পরিকল্পনায় সহযোগিতা।

ধারা ৩২ : সীমাবদ্ধতা

৩২.১ উপদেষ্টারা নির্বাহী সিদ্ধান্তে ভোট দিতে পারবেন না।

৩২.২ আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করতে পারবেন না।

ধারা ৩৩ : অপসারণ

৩৩.১ অসদাচরণ প্রমাণিত হলে অপসারণ করা যাবে।

৩৩.২ ২/৩ নির্বাহী সদস্যের সমর্থনে অপসারণ কার্যকর হবে।

অধ্যায়-৭: নির্বাহী পরিষদ

ধারা ৩৪ : নির্বাহী পরিষদের পরিচয়

৩৪.১ নির্বাহী পরিষদ সংগঠনের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী কার্যনির্বাহী কর্তৃপক্ষ।

৩৪.২ সাধারণ পরিষদের নিকট নির্বাহী পরিষদ জবাবদিহি থাকবে।

৩৪.৩ সংগঠনের সকল কার্যক্রম নির্বাহী পরিষদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।

ধারা ৩৫ : নির্বাহী পরিষদের গঠন

নির্বাহী পরিষদ ১৫ সদস্য বিশিষ্ট হবে। পদসমূহ:

  • ১। চেয়ারম্যান
  • ২। ভাইস চেয়ারম্যান
  • ৩। জেনারেল সেক্রেটারি
  • ৪। জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি
  • ৫। অর্গানাইজিং কোঅর্ডিনেটর
  • ৬। ফাইন্যান্স কোঅর্ডিনেটর
  • ৭। অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ ফাইন্যান্স
  • ৮। অফিস কোঅর্ডিনেটর
  • ৯। ইভেন্ট অ্যান্ড প্ল্যানিং কোঅর্ডিনেটর
  • ১০। পাবলিকেশনস কোঅর্ডিনেটর
  • ১১। ট্রেনিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোঅর্ডিনেটর
  • ১২। আইটি অ্যান্ড মিডিয়া কোঅর্ডিনেটর
  • ১৩। সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার কোঅর্ডিনেটর
  • ১৪। নির্বাহী সদস্য
  • ১৫। নির্বাহী সদস্য

ধারা ৩৬ : নির্বাহী পরিষদের মেয়াদ

৩৬.১ নির্বাহী পরিষদের মেয়াদ ২ (দুই) বছর।

৩৬.২ নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত বিদায়ী কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।

ধারা ৩৭ : যোগ্যতা

৩৭.১ কমপক্ষে ১ বছর সক্রিয় সদস্য হতে হবে।

৩৭.২ কোনো শৃঙ্খলাভঙ্গের রেকর্ড থাকা যাবে না।

৩৭.৩ সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে।

ধারা ৩৮ : নির্বাহী পরিষদের ক্ষমতা

৩৮.১ বার্ষিক কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন।

৩৮.২ বাজেট অনুমোদন।

৩৮.৩ শাখা কমিটি অনুমোদন।

৩৮.৪ সদস্যপদ অনুমোদন ও বাতিল।

৩৮.৫ প্রকল্প অনুমোদন।

৩৮.৬ উপ-কমিটি গঠন।

ধারা ৩৯ : নির্বাহী পরিষদের বৈঠক

৩৯.১ প্রতি দুই মাসে অন্তত একটি সভা।

৩৯.২ জরুরি প্রয়োজনে বিশেষ সভা আহ্বান করা যাবে।

৩৯.৩ সভার নোটিশ কমপক্ষে ৭ দিন পূর্বে প্রদান করতে হবে।

ধারা ৪০ : কোরাম

৪০.১ নির্বাহী সভার কোরাম মোট সদস্যের ৬০%।

৪০.২ কোরাম না হলে সভা স্থগিত হবে।

অধ্যায়-৮: পদাধিকারীদের ক্ষমতা ও দায়িত্ব

ধারা ৪১ : চেয়ারম্যান

৪১.১ সংগঠনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

৪১.২ সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন।

৪১.৩ নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

৪১.৪ জরুরি অবস্থায় বিশেষ নির্দেশনা দিতে পারবেন।

৪১.৫ সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

ধারা ৪২ : ভাইস চেয়ারম্যান

৪২.১ চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন।

৪২.২ সাংগঠনিক উন্নয়ন তদারকি করবেন।

৪২.৩ বিশেষ দায়িত্ব পালন করবেন।

ধারা ৪৩ : জেনারেল সেক্রেটারি

৪৩.১ প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

৪৩.২ সভার নোটিশ জারি করবেন।

৪৩.৩ সভার কার্যবিবরণী সংরক্ষণ করবেন।

৪৩.৪ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।

৪৩.৫ অফিস পরিচালনা করবেন।

ধারা ৪৪ : জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারি

৪৪.১ জেনারেল সেক্রেটারিকে সহযোগিতা করবেন।

৪৪.২ অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন।

ধারা ৪৫ : অর্গানাইজিং কোঅর্ডিনেটর

৪৫.১ সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

৪৫.২ সাংগঠনিক সম্প্রসারণ করবেন।

৪৫.৩ শাখা সমন্বয় করবেন।

ধারা ৪৬ : ফাইন্যান্স কোঅর্ডিনেটর

৪৬.১ সংগঠনের তহবিল পরিচালনা করবেন।

৪৬.২ হিসাব সংরক্ষণ করবেন।

৪৬.৩ আর্থিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন।

৪৬.৪ বাজেট প্রণয়ন করবেন।

ধারা ৪৭ : অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ ফাইন্যান্স

৪৭.১ ফাইন্যান্স কোঅর্ডিনেটরকে সহায়তা করবেন।

৪৭.২ আর্থিক ডাটাবেইস সংরক্ষণ করবেন।

ধারা ৪৮ : অফিস কোঅর্ডিনেটর

৪৮.১ অফিস ব্যবস্থাপনা করবেন।

৪৮.২ নথিপত্র সংরক্ষণ করবেন।

৪৮.৩ অফিস সম্পদের তালিকা রক্ষণাবেক্ষণ করবেন।

ধারা ৪৯ : ইভেন্ট অ্যান্ড প্ল্যানিং কোঅর্ডিনেটর

৪৯.১ অনুষ্ঠান পরিকল্পনা করবেন।

৪৯.২ অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন করবেন।

৪৯.৩ কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করবেন।

ধারা ৫০ : পাবলিকেশনস কোঅর্ডিনেটর

৫০.১ প্রকাশনা সম্পাদনা করবেন।

৫০.২ বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন।

৫০.৩ নিউজলেটার প্রকাশ করবেন।

ধারা ৫১ : ট্রেনিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কোঅর্ডিনেটর

৫১.১ প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা করবেন।

৫১.২ নেতৃত্ব উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করবেন।

ধারা ৫২ : আইটি অ্যান্ড মিডিয়া কোঅর্ডিনেটর

৫২.১ ওয়েবসাইট পরিচালনা করবেন।

৫২.২ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পরিচালনা করবেন।

৫২.৩ ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।

ধারা ৫৩ : সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার কোঅর্ডিনেটর

৫৩.১ মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

৫৩.২ সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্প তদারকি করবেন।

ধারা ৫৪ : নির্বাহী সদস্য

৫৪.১ নির্বাহী সভায় অংশগ্রহণ করবেন।

৫৪.২ বিশেষ দায়িত্ব পালন করবেন।

অধ্যায়-৯: নির্বাচন বিধিমালা

ধারা ৫৫ : নির্বাচন ব্যবস্থা

৫৫.১ নির্বাচন বা মনোনয়নের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হবে।

৫৫.২ নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ হতে হবে।

ধারা ৫৬ : নির্বাচন কমিশন

৫৬.১ ৩ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন থাকবে।

৫৬.২ নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করবে।

ধারা ৫৭ : ভোটাধিকার

৫৭.১ বৈধ সদস্য ভোট দিতে পারবেন।

৫৭.২ বকেয়া সদস্য ভোট দিতে পারবেন না।

ধারা ৫৮ : প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা

৫৮.১ সক্রিয় সদস্য হতে হবে।

৫৮.২ শাস্তিপ্রাপ্ত সদস্য প্রার্থী হতে পারবেন না।

ধারা ৫৯ : মনোনয়নপত্র

৫৯.১ নির্ধারিত ফরমে জমা দিতে হবে।

৫৯.২ যাচাই শেষে বৈধতা প্রদান করা হবে।

ধারা ৬০ : প্রচারণা

৬০.১ শালীন প্রচারণা করতে হবে।

৬০.২ অপপ্রচার নিষিদ্ধ।

ধারা ৬১ : ভোটগ্রহণ

৬১.১ গোপন ব্যালট বা ডিজিটাল ভোটিং হতে পারে।

৬১.২ নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

ধারা ৬২ : ফলাফল ঘোষণা

৬২.১ ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

৬২.২ লিখিত রেকর্ড সংরক্ষণ করতে হবে।

ধারা ৬৩ : নির্বাচন সংক্রান্ত অভিযোগ

৬৩.১ লিখিত অভিযোগ দাখিল করতে হবে।

৬৩.২ নির্বাচন কমিশন তদন্ত করবে।

ধারা ৬৪ : শূন্য পদ পূরণ

৬৪.১ পদ শূন্য হলে নির্বাহী পরিষদ অন্তর্বর্তী নিয়োগ দিতে পারবে।

৬৪.২ মেয়াদের অবশিষ্ট সময়ের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন।

অধ্যায়-১০: সভা পরিচালনা বিধি

ধারা ৬৫ : সাধারণ সভা

৬৫.১ প্রতি মাসে অন্তত একটি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

৬৫.২ সাধারণ সদস্যরা অংশগ্রহণ করবেন।

ধারা ৬৬ : নির্বাহী সভা

৬৬.১ প্রতি দুই মাসে অন্তত একটি নির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত হবে।

৬৬.২ শুধুমাত্র নির্বাহী সদস্যরা ভোট দিতে পারবেন।

ধারা ৬৭ : বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM)

৬৭.১ প্রতি বছর একবার অনুষ্ঠিত হবে।

৬৭.২ বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হবে।

৬৭.৩ অডিট রিপোর্ট উপস্থাপন করা হবে।

৬৭.৪ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুমোদিত হবে।

ধারা ৬৮ : বিশেষ সাধারণ সভা

৬৮.১ জরুরি বিষয়ে আহ্বান করা যাবে।

৬৮.২ মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশ লিখিত আবেদন করলে সভা আহ্বান বাধ্যতামূলক।

ধারা ৬৯ : সিদ্ধান্ত গ্রহণ

৬৯.১ সাধারণত সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সিদ্ধান্ত হবে।

৬৯.২ সমসংখ্যক ভোট হলে সভাপতির ভোট নির্ধারক হবে।

ধারা ৭০ : কার্যবিবরণী

৭০.১ প্রতিটি সভার কার্যবিবরণী লিখিতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

৭০.২ কার্যবিবরণীতে সভাপতি ও সেক্রেটারির স্বাক্ষর থাকতে হবে।

৭০.৩ কার্যবিবরণী সংগঠনের স্থায়ী নথি হিসেবে গণ্য হবে।

অধ্যায়-১১: আর্থিক ব্যবস্থাপনা

ধারা ৭১ : আর্থিক নীতির মূলনীতি

৭১.১ সংগঠনের সকল আর্থিক কার্যক্রম স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনানুগ পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে।

৭১.২ সংগঠনের অর্থ শুধুমাত্র সংগঠনের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ব্যয় করা যাবে।

৭১.৩ কোনো সদস্য ব্যক্তিগত স্বার্থে সংগঠনের তহবিল ব্যবহার করতে পারবেন না।

ধারা ৭২ : তহবিলের উৎস

সংগঠনের তহবিল নিম্নোক্ত উৎস থেকে গঠিত হবে—

  • ক) সদস্য ভর্তি ফি
  • খ) মাসিক সদস্য অবদান
  • গ) দান ও অনুদান
  • ঘ) প্রকল্প অনুদান
  • ঙ) কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) সহায়তা
  • চ) প্রবাসী সদস্যদের অনুদান
  • ছ) প্রকাশনা, প্রশিক্ষণ ও সেমিনার থেকে প্রাপ্ত বৈধ আয়
  • জ) অন্যান্য আইনসম্মত উৎস

ধারা ৭৩ : সদস্য অবদান

৭৩.১ প্রত্যেক সদস্য মাসিক নির্ধারিত অবদান প্রদান করবেন。

৭৩.২ অবদানের পরিমাণ সাধারণ পরিষদ বা নির্বাহী পরিষদ নির্ধারণ করবে।

৭৩.৩ দীর্ঘমেয়াদি বকেয়া সদস্যকে ভোটাধিকার থেকে সাময়িকভাবে বিরত রাখা যেতে পারে।

ধারা ৭৪ : আর্থিক বছর

৭৪.১ সংগঠনের আর্থিক বছর ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত গণ্য হবে।

৭৪.২ আর্থিক প্রতিবেদন আর্থিক বছর শেষে প্রস্তুত করতে হবে।

ধারা ৭৫ : বাজেট

৭৫.১ প্রতি অর্থবছরের শুরুতে বাজেট প্রণয়ন করতে হবে।

৭৫.২ বাজেট নির্বাহী পরিষদ অনুমোদন করবে।

৭৫.৩ অনুমোদিত বাজেট ব্যতীত বড় অঙ্কের ব্যয় করা যাবে না।

ধারা ৭৬ : ব্যয়ের অনুমোদন

৭৬.১ ক্ষুদ্র ব্যয়ের সীমা নির্বাহী পরিষদ নির্ধারণ করবে।

৭৬.২ নির্ধারিত সীমার বেশি ব্যয় অনুমোদনের জন্য সভার সিদ্ধান্ত প্রয়োজন হবে。

ধারা ৭৭ : হিসাবরক্ষণ

৭৭.১ সকল আয়-ব্যয় লিখিত ও ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

৭৭.২ প্রতিটি লেনদেনের জন্য রসিদ বা ভাউচার থাকতে হবে।

৭৭.৩ হিসাবপত্র কমপক্ষে ৭ বছর সংরক্ষণ করতে হবে।

ধারা ৭৮ : নগদ অর্থ

৭৮.১ নির্ধারিত সীমার বেশি নগদ অর্থ অফিসে রাখা যাবে না।

৭৮.২ অতিরিক্ত অর্থ ব্যাংকে জমা করতে হবে।

ধারা ৭৯ : আর্থিক স্বচ্ছতা

৭৯.১ সদস্যদের জন্য বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন উন্মুক্ত থাকবে।

৭৯.২ সদস্য লিখিত আবেদনের মাধ্যমে আর্থিক তথ্য দেখতে পারবেন।

ধারা ৮০ : আর্থিক অনিয়ম

৮০.১ অর্থ আত্মসাৎ গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

৮০.২ অপরাধ প্রমাণিত হলে সদস্যপদ বাতিল করা যাবে।

অধ্যায়-১২: সদস্য উন্নয়ন তহবিল

ধারা ৮১ : তহবিলের উদ্দেশ্য

৮১.১ সদস্যদের মধ্যে সঞ্চয় ও আর্থিক শৃঙ্খলা উৎসাহিত করা।

৮১.২ সদস্য উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান।

ধারা ৮২ : জমা

৮২.১ সদস্য মাসিক নির্ধারিত অর্থ জমা প্রদান করবেন।

৮২.২ জমার পরিমাণ সাধারণ পরিষদ নির্ধারণ করবে।

ধারা ۸৩ : হিসাব সংরক্ষণ

৮৩.১ প্রতিটি সদস্যের পৃথক হিসাব থাকবে।

৮৩.২ হিসাব ডিজিটাল ও লিখিত উভয়ভাবে সংরক্ষণ করা হবে।

ধারা ৮৪ : প্রশাসনিক ব্যয়

৮৪.১ জমার নির্দিষ্ট অংশ প্রশাসনিক ব্যয়ে ব্যবহার করা যাবে।

৮৪.২ হার নির্বাহী পরিষদ নির্ধারণ করবে।

ধারা ৮৫ : ফেরত নীতিমালা

৮৫.১ সংগঠনের নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

৮৫.২ অর্থ ফেরতের পূর্বে সকল বকেয়া সমন্বয় করা হবে।

ধারা ৮৬ : সীমাবদ্ধতা

৮৬.১ এই তহবিল কোনো ব্যাংক, সমবায় বা বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হবে না।

৮৬.২ আইনগত প্রয়োজন অনুযায়ী তহবিলের কাঠামো পরিবর্তন করা যেতে পারে।

অধ্যায়-১৩: ব্যাংক হিসাব ও আর্থিক নিরাপত্তা

ধারা ৮৭ : ব্যাংক হিসাব

৮৭.১ সংগঠনের নামে ব্যাংক হিসাব খোলা হবে।

৮৭.২ ব্যাংক হিসাব নির্বাহী পরিষদের অনুমোদনে পরিচালিত হবে।

ধারা ৮৮ : স্বাক্ষরকারী

নিম্নোক্ত তিনজন অনুমোদিত স্বাক্ষরকারী হবেন—

  • চেয়ারম্যান
  • জেনারেল সেক্রেটারি
  • ফাইন্যান্স কোঅর্ডিনেটর

ধারা ৮৯

যেকোনো দুইজনের যৌথ স্বাক্ষরে লেনদেন বৈধ হবে।

ধারা ৯০

অনলাইন ব্যাংকিং ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ বাধ্যতামূলক।

অধ্যায়-১৪: অডিট ও জবাবদিহিতা

ধারা ৯১ : অভ্যন্তরীণ অডিট

৯১.১ প্রতি ছয় মাসে অভ্যন্তরীণ অডিট করতে হবে।

ধারা ৯২ : বাহ্যিক অডিট

৯২.১ প্রতি অর্থবছরে অন্তত একবার বাহ্যিক অডিট করতে হবে।

ধারা ৯৩

অডিট রিপোর্ট নির্বাহী পরিষদের সভায় উপস্থাপন করতে হবে।

ধারা ৯৪

গুরুতর অনিয়ম পাওয়া গেলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।

ধারা ৯৫

বার্ষিক সাধারণ সভায় অডিট প্রতিবেদন উপস্থাপন বাধ্যতামূলক।

অধ্যায়-১৫: অনুদান ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা

ধারা ৯৬ : অনুদান গ্রহণ

সংগঠন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, ফাউন্ডেশন, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসীদের অনুদান গ্রহণ করতে পারবে।

ধারা ৯৭

অবৈধ উৎস থেকে কোনো অনুদান গ্রহণ করা যাবে না।

ধারা ৯৮

দাতার উদ্দেশ্য অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে।

ধারা ৯৯

প্রতিটি প্রকল্পের জন্য পৃথক হিসাব রাখা হবে।

ধারা ১০০

প্রকল্প শেষে মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হবে।

ধারা ১০১

প্রয়োজন হলে প্রকল্প পরিদর্শন দল গঠন করা যাবে।

ধারা ১০২

প্রকল্পের ফলাফল সদস্য ও দাতাদের অবহিত করতে হবে।

অধ্যায়-১৬: শাখা কমিটি

ধারা ১০৩

সংগঠনের নিম্নোক্ত শাখা থাকতে পারে—

  • ক) ইউনিয়ন শাখা
  • খ) উপজেলা শাখা
  • গ) জেলা শাখা
  • ঘ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শাখা
  • ঙ) প্রবাসী শাখা

ধারা ১০৪

প্রত্যেক শাখা কেন্দ্রীয় কমিটির অধীন থাকবে।

ধারা ১০৫

শাখা কমিটির মেয়াদ ২ বছর।

ধারা ১০৬

শাখা কমিটি বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দিতে বাধ্য থাকবে।

ধারা ১০৭

শাখা কমিটির আর্থিক হিসাব কেন্দ্রীয় কমিটি পরিদর্শন করতে পারবে।

ধারা ১০৮

গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করলে শাখা কমিটি বিলুপ্ত করা যেতে পারে।

অধ্যায়-১৭: শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি

ধারা ১০৯

সকল সদস্যকে নৈতিক ও শালীন আচরণ করতে হবে।

ধারা ১১০

ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা ব্যক্তিগত পরিচয় নিয়ে কটূক্তি করা যাবে না।

ধারা ১১১

মাদক, জুয়া বা অপরাধমূলক কার্যক্রমে জড়িত থাকা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ধারা ১১২

সংগঠনের সম্পদ অপব্যবহার করা যাবে না।

ধারা ১১৩

সংগঠনের সুনাম ক্ষুণ্ণ করে এমন কার্যকলাপ নিষিদ্ধ।

ধারা ১১৪

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া তথ্য প্রচার নিষিদ্ধ।

ধারা ১১৫

যৌন হয়রানি, মানসিক নির্যাতন বা বৈষম্যমূলক আচরণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

ধারা ১১৬

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা যাবে।

ধারা ১১৭

অভিযুক্ত সদস্যকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে।

ধারা ১১৮

শাস্তির ধরন—

  • ক) মৌখিক সতর্কতা
  • খ) লিখিত সতর্কতা
  • গ) সাময়িক বহিষ্কার
  • ঘ) স্থায়ী বহিষ্কার
  • ঙ) অর্থদন্ড
  • চ) সালিশি সমাধান

ধারা ১১৯

গুরুতর অপরাধে তাৎক্ষণিক সাময়িক বহিষ্কার করা যেতে পারে।

ধারা ১২০

শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করা যাবে।

অধ্যায়-১৮: ডিজিটাল ও তথ্যপ্রযুক্তি নীতি

ধারা ১২১

সংগঠনের সকল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নির্বাহী পরিষদের সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।

ধারা ১২২

অফিসিয়াল ইমেইল, ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ আইটি অ্যান্ড মিডিয়া কোঅর্ডিনেটরের তত্ত্বাবধানে থাকবে।

ধারা ১২৩

সকল অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টের লগইন তথ্য নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

ধারা ১২৪

সংগঠনের অনুমতি ব্যতীত কোনো সদস্য অফিসিয়াল বিবৃতি প্রদান করতে পারবেন না।

ধারা ১২৫

সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা বাধ্যতামূলক।

ধারা ১২৬

ডিজিটাল তথ্যের ব্যাকআপ সংরক্ষণ করতে হবে।

ধারা ১২৭

সাইবার নিরাপত্তা লঙ্ঘন গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হবে।

ধারা ১২৮

অফিসিয়াল ডাটাবেইস ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

ধারা ১২৯

ডিজিটাল আর্কাইভ সংরক্ষণ করা হবে।

ধারা ১৩০

প্রয়োজনে অনলাইন সভা, ভোটিং ও প্রশিক্ষণ বৈধ হিসেবে গণ্য হবে।

অধ্যায়-১৯: নারী ও শিশু সুরক্ষা নীতি

ধারা ১৩১

সংগঠন নারী, শিশু ও কিশোর সদস্যদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

ধারা ১৩২

যৌন হয়রানি, শারীরিক নির্যাতন, মানসিক নির্যাতন বা অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

ধারা ১৩৩

অভিযোগ তদন্তের জন্য বিশেষ সুরক্ষা কমিটি গঠন করা হবে।

ধারা ১৩৪

অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে।

ধারা ১৩৫

অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি প্রদান করা হবে।

ধারা ১৩৬

শিশু সদস্যদের কার্যক্রমে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

ধারা ১৩৭

১৮ বছরের কম বয়সী সদস্যদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে অভিভাবকের সম্মতি গ্রহণ করা হবে。

ধারা ১৩৮

যেকোনো ধরনের বুলিং নিষিদ্ধ।

ধারা ১৩৯

লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য গ্রহণযোগ্য হবে না।

ধারা ১৪০

প্রতি বছর সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হবে।

অধ্যায়-২০: মানবসম্পদ ও স্বেচ্ছাসেবক নীতি

ধারা ১৪১

সংগঠনের সকল সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক সমান মর্যাদা ভোগ করবেন।

ধারা ۱۴২

প্রত্যেক নতুন সদস্যকে ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে।

ধারা ১৪৩

সক্রিয় সদস্যদের নেতৃত্ব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

ধারা ১৪৪

বিশেষ দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করা যাবে।

ধারা ১৪৫

স্বেচ্ছাসেবকদের কাজের মূল্যায়ন করা হবে।

ধারা ১৪৬

সেরা স্বেচ্ছাসেবক পুরস্কার প্রদান করা যেতে পারে।

ধারা ১৪৭

সদস্যদের কর্মদক্ষতা রেকর্ড সংরক্ষণ করা হবে।

ধারা ১৪৮

সংগঠনের কাজে অংশগ্রহণের ভিত্তিতে স্বীকৃতি প্রদান করা যাবে।

ধারা ১৪৯

প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ বা পরামর্শক নিয়োগ করা যাবে।

ধারা ১৫০

সংগঠনের প্রশিক্ষণ সনদ নির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে প্রদান করা হবে।

অধ্যায়-২১: গবেষণা, প্রকাশনা ও উদ্ভাবন

ধারা ১৫১

সংগঠন গবেষণামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।

ধারা ১৫২

সামাজিক সমস্যা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ নিয়ে গবেষণা করা যাবে।

ধারা ১৫৩

গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা যাবে।

ধারা ১৫৪

সংগঠন নিউজলেটার প্রকাশ করতে পারবে।

ধারা ১৫৫

বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ বাধ্যতামূলক।

ধারা ১৫৬

ম্যাগাজিন, জার্নাল বা স্মারক প্রকাশ করা যাবে।

ধারা ১৫৭

সদস্যদের উদ্ভাবনী প্রকল্প উৎসাহিত করা হবে।

ধারা ১৫৮

গবেষণা কার্যক্রমে নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে।

ধারা ১৫৯

কপিরাইট আইন মেনে চলতে হবে।

ধারা ১৬০

প্রকাশনার দায়িত্ব পাবলিকেশনস কোঅর্ডিনেটরের তত্ত্বাবধানে থাকবে।

অধ্যায়-২২: সম্পদ ব্যবস্থাপনা

ধারা ১৬১

সংগঠনের সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তালিকা সংরক্ষণ করতে হবে।

ধারা ১৬২

সম্পদের জন্য পৃথক রেজিস্টার রাখতে হবে।

ধারা ১৬৩

সম্পদ ক্রয়ের ক্ষেত্রে অনুমোদিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

ধারা ১৬৪

দামি সম্পদ ক্রয়ের জন্য নির্বাহী পরিষদের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

ধারা ১৬৫

সম্পদ বিক্রয় বা হস্তান্তরের জন্য ২/৩ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন হবে।

ধারা ১৬৬

সম্পদ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

ধারা ১৬৭

ক্ষতিগ্রস্ত সম্পদের বিষয়ে তদন্ত করা যেতে পারে।

ধারা ১৬৮

সম্পদ ব্যবস্থাপনার বার্ষিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হবে।

অধ্যায়-২৩: আন্তর্জাতিক ও প্রবাসী কার্যক্রম

ধারা ১৬৯

প্রবাসী সদস্যদের নিয়ে প্রবাসী শাখা গঠন করা যাবে।

ধারা ১৭০

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী নেটওয়ার্ক গঠন করা যাবে।

ধারা ১৭১

প্রবাসী সদস্যরা অনলাইন ভোটিং ও সভায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

ধারা ১৭২

বিদেশি অংশীদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা করা যাবে।

ধারা ১৭৩

আন্তর্জাতিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

ধারা ১৭৪

বিদেশি অনুদান গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন মেনে চলতে হবে।

অধ্যায়-২৪: সম্মাননা ও পুরস্কার

ধারা ১৭৫

বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করা যাবে।

ধারা ১৭৬

বার্ষিক পুরস্কার চালু করা যেতে পারে।

ধারা ১৭৭

সেরা সংগঠক, সেরা স্বেচ্ছাসেবক ও সেরা শাখা কমিটিকে পুরস্কৃত করা যেতে পারে।

ধারা ১৭৮

সম্মাননা প্রদানের নীতিমালা নির্বাহী পরিষদ নির্ধারণ করবে।

অধ্যায়-২৫: গঠনতন্ত্র সংশোধন

ধারা ১৭৯

গঠনতন্ত্র সংশোধনের প্রস্তাব লিখিতভাবে জমা দিতে হবে।

ধারা ১৮০

সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) ভোটে সংশোধন অনুমোদিত হবে।

অধ্যায়-২৬: সংগঠন বিলুপ্তি

ধারা ১৮১

সংগঠন বিলুপ্তির জন্য সাধারণ পরিষদের তিন-চতুর্থাংশ (৩/৪) সমর্থন প্রয়োজন হবে।

ধারা ১৮২

বিলুপ্তির পূর্বে সকল দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করতে হবে।

ধারা ১৮৩

অবশিষ্ট সম্পদ জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহৃত হবে।

ধারা ১৮৪

কোনো সদস্য সংগঠনের সম্পদের মালিকানা দাবি করতে পারবেন না।

ধারা ১৮৫

বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

অধ্যায়-২৭: অঙ্গীকার ও সমাপ্তি

ধারা ১৮৬: অঙ্গীকার

সকল সদস্য সংগঠনের গঠনতন্ত্র মেনে চলার অঙ্গীকার করবেন।

ধারা ১৮৭: শপথ

সদস্য শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সদস্যপদ কার্যকর হবে。

সদস্য শপথ

"আমি, ক্রিয়েটিভ এক্সপ্লোরার ফোরামের একজন সদস্য হিসেবে সততা, মানবিকতা, শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সংগঠনের গঠনতন্ত্র মেনে চলার এবং সমাজকল্যাণে আত্মনিয়োগ করার শপথ করছি।"

জ্ঞান দক্ষতা নেতৃত্ব মানবতা সেবা

এই গঠনতন্ত্র ক্রিয়েটিভ এক্সপ্লোরার ফোরামের সর্বোচ্চ সাংগঠনিক নীতিমালা হিসেবে গণ্য হবে এবং সংগঠনের সকল সদস্য, কর্মকর্তা, শাখা কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবকের জন্য বাধ্যতামূলক হবে।

সূচিপত্র